পাসপোর্ট মামলায় অস্বস্তিতে তৃণমূল মুখপাত্র কুণাল ঘোষ। আদালত সূত্রে খবর, বুধবার তাঁকে আদালতের তরফ থেকে প্রশ্ন করা হয় তিনি বিদেশে যাবেন কিন্তু টাকার উৎস কী সে ব্যাপারে। এর পাশাপাশি বুধবার কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি দেবাংশু বসাক ও বিচারপতি স্মিতা দাস দে-র বেঞ্চের তরফ থেকে এও জানানো হয়, যেহেতু কুণাল ঘোষ চিট ফান্ড মামলায় অভিযুক্ত, তাই আদালত জানতে চায় বিদেশে যাওয়ার টাকা কোথা থেকে আসছে।
প্রসঙ্গত, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে লন্ডনে যাচ্ছেন তৃণমূল নেতা-সাংবাদিক কুণাল ঘোষ। কিন্তু সারাদা চিট ফান্ড মামলায় কুণাল অভিযুক্ত। সূত্রের খবর, জামিনের অন্যতম শর্ত হিসেবে কুণালের পাসপোর্ট জমা রয়েছে আদালতের কাছে। সেই পাসপোর্টের জন্যই এদিন আদালতের দ্বারস্থ হন কুণালের আইনজীবী জিষ্ণু চৌধুরী।
আইনজীবী জিষ্ণু চৌধুরী আদালতে জানান, তৃণমূল নেতা হিসাবে নন, একটি বিশেষ সংবাদপত্রের নাম উল্লেখ করে বলেন, সেখান থেকে একজন সাংবাদিক হিসাবেই পাঠানো হচ্ছে কুণালকে। বিচারপতি দেবাংশু বসাক ও বিচারপতি স্মিতা দাস দে কুণালের আইনজীবীকে বলেন, ‘সেটাই নথিতে দেখান। এখুনি জানান আমরা অপেক্ষা করছি।’ এরপরই ডিভিশন বেঞ্চ কুণাল ঘোষকে বিদেশ যাওয়ার অনুমতি দেয়। পাঁচ লক্ষ টাকা জমা রেখে বিদেশে যাওয়ার অনুমতি দেন বিচারপতি। তার মেয়াদ ২১ মার্চ থেকে ৩০ মার্চ পর্যন্ত। এই সময়ের ব্য়বধানেই ফিরে আসতে হবে কুণাল ঘোষকে।