আন্তর্জাতিক নারী দিবসের প্রাক্কালে, এডব্লিউএল এগ্রি বিজনেস লিমিটেড (পূর্বতন আদানি উইলমার)-এর ফ্ল্যাগশিপ ভোজ্যতেল ব্র্যান্ড ফরচুন একটি ডিজিটাল ফিল্ম প্রকাশ করেছে। এই ফিল্মটি স্বামী-স্ত্রীর এক সহজ ও পরিচিত দৈনন্দিন মুহূর্তের মাধ্যমে ঘরের দায়িত্ব ভাগ করে নেওয়ার গুরুত্বকে তুলে ধরে এবং প্রতিদিনের জীবনে লিঙ্গভিত্তিক ভূমিকা নিয়ে নতুন করে ভাবার কথাই তুলে ধরা হয়েছে এই চলচ্চিত্রে।
কারণ, রান্নাঘরকে এখনও প্রায়শই নারীর একান্ত ক্ষেত্র হিসেবে দেখা হয়—এই ধারণাকে কেন্দ্র করেই তৈরি হয়েছে ফরচুন-এর নারী দিবসের এই ফিল্ম। এতে গৃহস্থালির একটি পরিচিত মুহূর্ত তুলে ধরা হয়েছে, যেখানে একদিন স্বামী রান্না করার সিদ্ধান্ত নেন কিন্তু তিনি বুঝতে পারেন, ময়দা, তেল কিংবা ধনেপাতার মতো জরুরি উপকরণগুলো কোথায় রাখা আছে, তা তিনি জানেন না। এই পরিস্থিতিই পরে আত্মসমালোচনার একটি মুহূর্ত হয়ে ওঠে, যখন তাঁর স্ত্রী জানান—রান্না করা প্রায়শই নারীর কাছ থেকেই প্রত্যাশিত হয়, অথচ রান্নাঘর সামলাতে যে পরিশ্রম, পরিকল্পনা ও জ্ঞান প্রয়োজন, তা অনেক সময়ই স্বাভাবিক ধরে নেওয়া হয় এবং যথাযথ গুরুত্ব পায় না। ফিল্মটির শেষে থাকে একটি সহজ কিন্তু শক্তিশালী বার্তা। যেখানে বলা হয়েছে, যখন রান্নাঘরের দায়িত্ব সবার হয়ে ওঠে, তখনই ঘরের খাবার সত্যিকারের ‘ঘরের খাবার’ হয়ে ওঠে। এই উদ্যোগের মাধ্যমে ফরচুন তুলে ধরতে চায়, বাড়ির কাজের প্রতি প্রকৃত সম্মান শুরু হয় বোঝাপড়া, অংশগ্রহণ এবং দায়িত্ব ভাগ করে নেওয়ার মধ্য দিয়ে।
উদ্যোগটি সম্পর্কে মন্তব্য করতে গিয়ে এডব্লিউএল এগ্রি বিজনেস লিমিটেডের জয়েন্ট প্রেসিডেন্ট – সেলস অ্যান্ড মার্কেটিং মুকেশ মিশ্র বলেন, ‘ফরচুন-এ আমরা সবসময়ই ‘ঘরের খাবার’-এর ওপর গুরুত্ব দিয়েছি, কারণ এটি পরিবারে একসঙ্গে থাকা, স্নেহ এবং সাংস্কৃতিক বন্ধনকে আরও দৃঢ় করে। আন্তর্জাতিক নারী দিবস শুধু নারীদের উদ্যাপন করার দিন নয়, বরং প্রতিদিন তারা যে অসংখ্য দায়িত্ব বহন করেন, তার স্বীকৃতি দেওয়ারও একটি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত। এই নতুন টিভিসি-র মাধ্যমে ফরচুন আশা করে পরিবারগুলো ঘরের দায়িত্ব ভাগ করে নেবে এবং প্রতিটি খাবার তৈরি করতে যে পরিশ্রম লাগে, তার মূল্য বুঝবে। শেষ পর্যন্ত, ‘ঘরের খাবার’ তখনই সত্যিই বিশেষ হয়ে ওঠে, যখন পরিবারের সবার অবদান থাকে।’
পাশাপাশি সংস্থার তরফ থেকে এও জানানো হয়েছে, আন্তর্জাতিক নারী দিবসের আগে এই চলচ্চিত্রটি বিভিন্ন ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে প্রকাশ করা হয়েছে, যাতে দর্শকরা উপলব্ধি করতে পারেন—ঘরের কাজের দায়িত্ব ভাগ করে নেওয়ার মতো ছোট ছোট উদ্যোগও কীভাবে আরও সমান ও সহমর্মিতাপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে তুলতে সাহায্য করতে পারে।

