আইএইচসিএল দায়িত্বশীল আতিথেয়তার বার্তা জোরদার করল, ‘পাথ্য’ উদ্যোগের চার বছর পূর্তি উপলক্ষে কলকাতায় আয়োজন করল ‘ভারত একসাথ ওয়াকাথন’

ভারতের অন্যতম বৃহৎ আতিথেয়তা প্রতিষ্ঠান ইন্ডিয়ান হোটেলস কোম্পানি লিমিটেড (আইএইচসিএল) গত কয়েক বছর ধরে টেকসই উন্নয়ন ও সামাজিক দায়বদ্ধতার পথে এগিয়ে চলেছে। তাদের বিশেষ উদ্যোগ পাথ্য ইতিমধ্যেই আতিথেয়তা শিল্পে একটি দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। এই উদ্যোগের চার বছর পূর্তি উপলক্ষে কলকাতায় আয়োজন করা হয় ভারত একসাথ ওয়াকাথন, যা শুধু একটি হাঁটা কর্মসূচি নয়, বরং দায়িত্বশীল পর্যটন ও সামাজিক সংহতির প্রতীক হয়ে উঠেছে।

এই ওয়াকাথনে অংশ নিয়েছিলেন আইএইচসিএল-এর কর্মী, তাঁদের পরিবার, স্থানীয় সহযোগী, বিক্রেতা এবং সমাজের নানা স্তরের মানুষ। বিশ্বের ১৪টি দেশে ২০০-রও বেশি স্থানে একযোগে এই কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। সংগৃহীত অর্থ প্রদান করা হয় তাজ পাবলিক সার্ভিস ওয়েলফেয়ার ট্রাস্টে, যা আইএইচসিএল-এর সামাজিক দায়বদ্ধতার প্রতিশ্রুতিকে আরও দৃঢ় করে।

কলকাতার ওয়াকাথনটির সূচনা করেন আইএইচসিএল-এর সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট (অপারেশনস) কে. মোহনচন্দ্রন। শহরের বিভিন্ন তাজ হোটেল ও সহযোগী প্রতিষ্ঠান যেমন তাজ বেঙ্গল, ভিভান্তা কলকাতা, রাজকুটির, তাজ সিটি সেন্টার নিউ টাউন, তাজ তাল কুটির, তাজ স্যাটস এবং তাজ গঙ্গাকুটির রিসোর্ট অ্যান্ড স্পা এই অনুষ্ঠানে সক্রিয়ভাবে অংশ নেয়।

অনুষ্ঠানটি ছিল প্রাণবন্ত ও সুসংগঠিত। অংশগ্রহণকারীদের জন্য আগে থেকেই কিট বিতরণ করা হয়, যাতে ছিল ভেস্ট, ক্যাপ, পানির বোতল ও খাবার। হাঁটার আগে আয়োজন করা হয় ৩০ মিনিটের জুম্বা ওয়ার্ম-আপ সেশন, যা সকলকে উজ্জীবিত করে। প্রতি কিলোমিটারে পানীয় জল সরবরাহের ব্যবস্থা, চিকিৎসক ও অ্যাম্বুলেন্সসহ নিরাপত্তা ব্যবস্থা রাখা হয়। হাঁটা শেষে কিউমিন-এর পক্ষ থেকে পরিবেশিত হয় বিশেষ প্রাতঃরাশ এবং অংশগ্রহণকারীদের হাতে পদক তুলে দেওয়া হয়।

শুধু কলকাতায় নয়, একই ধরনের ওয়াকাথন জামশেদপুর, কুরসিয়ং, পুরী ও সিকিমেও অনুষ্ঠিত হয়। এর মাধ্যমে স্পষ্ট হয় যে আইএইচসিএল তাদের উদ্যোগকে সর্বস্তরে ছড়িয়ে দিতে চায়।

এই প্রসঙ্গে বলতেই হয়, ‘ভারত একসাথ ওয়াকাথনপ্রমাণ করে যে আতিথেয়তা শিল্প শুধু বিলাসবহুল সেবা নয়, বরং সমাজের প্রতি দায়বদ্ধতারও প্রতীক হতে পারে। পাথ্য উদ্যোগের মাধ্যমে আইএইচসিএল দেখিয়েছে কীভাবে দায়িত্বশীল পর্যটন, পরিবেশ সচেতনতা এবং সামাজিক কল্যাণকে একসাথে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া যায়। এই ধরনের কর্মসূচি সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তনের বার্তা দেয় এবং ভবিষ্যতের আতিথেয়তা শিল্পকে আরও মানবিক ও টেকসই করে তোলে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

fifteen − four =