প্রায় ২৬ হাজার চাকরি বাতিলের পর রাজ্যজুড়ে বিক্ষোভ কর্মসূচির ডাক দিয়েছিল বিজেপি। সেই পরিকল্পনা মতোই শুক্রবার বিকাশভবন অভিযান করে এবিভিপি। মিছিল করে ভবনের ভিতরে ঢোকার চেষ্টা করতেই ধস্তাধস্তি শুরু হয় পুলিশের সঙ্গে। এর পরই ব্যারিকেডের উপর উঠে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন বিজেপির ছাত্রযুব সংগঠনের সদস্যরা। এরপরই মহিলা এবিভিপি সদস্যদের টেনে–হিঁচড়ে ভ্যানে তোলে পুলিশ। অন্যদিকে বিজেপির তরফে আরও একটি মিছিল এসএসসি ভবন অভিযানের দিকে রওনা দেয়।
বস্তুত, বৃহস্পতিবার সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে চাকরি খুইয়েছেন ২৫ হাজার ৭৫৩ জন শিক্ষক। যা নিয়ে রাজ্য–রাজনীতি তোলপাড়। অযোগ্য–যোগ্য ঝাড়াই বাছাই না করতে পেরে ২০১৬ সালের এসএসসির গোটা প্যানেল বাতিল হয়েছে। গত ফেব্রুয়ারি মাসে এই মামলার শুনানি শেষ করে রায় স্থগিত রেখেছিল শীর্ষ আদালত। বৃহস্পতিবার সেই রায় দিয়েই চাকরিপ্রার্থীদের ভবিষ্যৎ কার্যত নির্ধারণ করে দেয় দেশের সর্বোচ্চ আদালত।
তবে কলকাতা হাইকোর্ট যে রায় দিয়েছিল, সেই রায় বজায় রাখলেও সামান্য বদল বা ‘মডিফিকেশন‘ করেছে সুপ্রিম কোর্ট। জানানো হয়েছে, যারা অন্য সরকারি দফতর থেকে এখানে এসেছিলেন, তাঁরা পুরনো জায়গায় যোগদান করতে পারবেন। আর এই কাজ সম্পন্ন করতে হবে আগামী ৩ মাসের মধ্যেই। এদিকে শুক্রবার এ ব্যাপারে সাংবাদিক বৈঠক থেকে এসএসসির চেয়ারম্যান সিদ্ধান্ত মজুমদার পরিষ্কারভাবে জানিয়ে দিয়েছেন, এত কম সময়ের মধ্যে সমগ্র নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা সম্ভব নয়।নতুন নিয়োগে কারা অংশ নিতে পারবেন তা নিয়ে বিভিন্ন মহলে ধোঁয়াশা রয়েছে। এসএসসির চেয়ারম্যানও বলেন, ‘সুপ্রিম কোর্টের রায়ে তা স্পষ্ট উল্লেখ নেই। এ বিষয়ে আমরা আইনজীবীদের পরামর্শ নেব।’