আবাসনের কমিটির টাকা নয়-ছয়ের অভিযোগ উঠল তৃণমূল কাউন্সিলরের বিরুদ্ধে। এই ঘটনায় গলফগ্রিন থানায় অভিযোগ দায়েরও করেন আবাসনের বাসিন্দারা। তাঁদের অভিযোগ প্রথমে পুলিশ এফআইআর নিতে রাজি হয়নি পুলিশ। পরে আলিপুর আদালতের দ্বারস্থ হলে কোর্টের নির্দেশে অভিযোগ নেয় গলফগ্রিন থানা।
এদিকে সূত্রে খবর, ৯৫ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর তপন দাশগুপ্ত-সহ ১০ জনের বিরুদ্ধে মামলা রুজু করা হয়েছে। অভিযোগ, দেড় কোটি টাকার বেশি লোন নিয়েছেন কাউন্সিলর। শুধু তাই নয়, অ্যাসোসিয়েশনের তহবিল থেকে নেওয়া ৮৬ লক্ষ টাকা ঋণ বাবদ শোধ করা হয়েছে বলেও অভিযোগ আবাসনের বাসিন্দাদের।
অভিযোগকারীদের দাবি, সকলকে অন্ধকারে রেখেই এমনই এক কাণ্ড ঘটিয়েছেন কাউন্সিলর তপন দাশগুপ্ত। তাঁদের কথায়, ‘যাঁরা ম্যানেজমেন্টে বসে আছেন তাঁরা ৭২০ খানা ফ্ল্যাট মালিকের টাকা উধাও করে দিয়েছে। একের পর এক স্ক্যাম করে বেড়াচ্ছে। ব্যাপক টাকার লোন দেখানো হয়েছে যার কোনও নথি নেই।’ এরপরই বিজেপির স্বাস্থ্য সেলের যুগ্ম কনভেনর এবং বিজেপির টালিগঞ্জ শাখার কনভেনর পবন কুমার শর্মা কাউন্সিলরের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন।
তবে এই ঘটনায় রাজনীতি দেখছে তৃণমূল। এ ব্যাপারে কাউন্সিলরের তপন দাশগুপ্তের দাবি, ‘আমাদের নামে বদনাম করা হচ্ছে। আইন সবার জন্য যে কেউ কোর্টে যেতে পারে। কিন্তু এই ঘটনা সম্পূর্ণ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে করা হচ্ছে।’ যদিও পাল্টা অভিযোগকারীদের দাবি, আরবিআইয়ের লাইসেন্স হোল্ডার, যারা লোন দেয়, তাদের থেকে না নিয়ে কেন এভাবে বেআইনি ভাবে লোন কেন নেওয়া হবে তা নিয়েই।