সন্দেশখালির ‘বাঘ’ বলেই খ্যাতি পেয়ে এসেছেন আপাতত জেলবন্দি শাহাজাহান শেখ। আপাতত মামলায় জর্জরিত ‘বাঘ’ কার্যতই যেন খাঁচা-বন্দি। সূত্রের খবর, প্রেসিডেন্সিতেই নাকি কার্যত ‘দরবার’ খুলে বসেছেন শাহজাহান। দিন কতক আগেই তাঁর বিরুদ্ধে ফোন করে হুমকি দেওয়ার অভিযোগ তোলেন রবীন মণ্ডল। তাঁর অভিযোগ, জেলে বসেই নাকি হুমকি-হুঁশিয়ারি দিচ্ছেন শেখ শাহজাহান ও তাঁর দলবল।
এবার সেই ঘটনায় রেশ কাটার আগেই ভাইরাল আরও এক হুমকি ফোনের অডিয়ো। যদিও এই অডিও-র সত্যতা যাচাই করেনি ‘একদিন’। এই ভাইরাল হওয়া অডিওতে শোনা গেছে, টাকার বিনিময়ে শাহজাহানের নামে দায়ের করা মামলা তুলে নেওয়ার হুমকি এসেছে। আর এই ফোন এসেছে রবীন মণ্ডলের ডাক্তার ভাইপো নীলাদ্রি মণ্ডলের কাছে। আর ফোনটা করেছে শাহজাহানেরই এক শাগরেদ টুইন ভুঁইয়া।
এই ফোনে শোনা যাচ্ছে টুইনের হুমকি। যেখানে টুইন বলছে, ‘বাবলুদা খবর পাঠিয়েছে, যদি টাকার মাধ্যমে দিয়ে রফাদফা হওয়া যায়, তবে মামলাগুলো তুলে ফেল। কারণ শেখ শাহজাহান বেরিয়ে গেলে আর কোনও পথ থাকবে না।’ টুইনের এই বক্তব্যের পাল্টা রবীনের ভাইপোকে প্রশ্নে করতে যায় ‘শাহজাহান কি তবে জেল থেকে বেরোচ্ছেন?’ টুইন বলেন, ‘খুব শীঘ্রই শাহাজাহান জেলের বাইরে পা রাখবে।’
উল্লেখ্য, দিন কতক আগে যখন শাহজাহানের বিরুদ্ধে জেলে বসে ফোন করে হুমকি দেওয়ার অভিযোগ তুলেছিলেন রবীন মণ্ডল। সেই সময় তিনি জানিয়েছিলেন, ‘শাহজাহান বলেছে, শীঘ্রই আমি ছাড়া পাব।’ অবশ্য, শাহজাহান কিংবা তার শাগরেদদের মুখে বারংবার এই ‘ছাড়া পাওয়ার’ কথা উঠলেও, আইন কিন্তু সহজে সন্দেশখালির ‘বাঘ’কে এখুনি ছাড়তে নারাজ। এই প্রসঙ্গে বলে রাখা শ্রেয়, ১৫ মার্চ যখন শাহজাহানের বিরুদ্ধে হুমকি ফোনের অভিযোগ তুললেন রবীন মণ্ডল। তার ঠিক তিন দিন আগেই বিচারপতি দেবাংশু বসাক ও বিচারপতি মহম্মদ শব্বর রসিদির ডিভিশন বেঞ্চে আগাম খারিজ হয়ে যায় জামিন আর্জি।