ভুয়ো ভোটার নিয়ে ময়দানে নামে বিজেপি। বেছে-বেছে হিন্দু ভোটারদের নাম কেটে বাদ দেওয়া হচ্ছে লিস্ট থেকে। এরই প্রতিবাদে সরব হয় গেরুয়া শিবির। পরবর্তীতে তারা মিছিলের পরিকল্পনা করে। কিন্তু পুলিশ অনুমতি না দেওয়ায় হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয় বিজেপি। আর এই মিছিল করার ক্ষেত্রে শর্ত সাপেক্ষে অনুমতি দিল কলকাতা হাইকোর্ট। একইসঙ্গে মিছিলের পথ বদলে দিল কোর্ট। বিজেপি দলীয় কার্যালয় থেকে শুরু করে যোগাযোগ ভবন হয়ে মিছিল শেষ করতে হবে ওয়াই চ্যানেলে। নির্দেশ দেয় হাইকোর্ট। এর আগে মিছিলের রুট ছিল বিজেপির দলীয় কার্যালয় থেকে মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের অফিস (সিও) পর্যন্ত।
বুধবার বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষ নির্দেশ দিয়েছেন, দশ জন প্রতিনিধি দল শুধু যেতে পারবেন সিও অফিসে। মিছিল চারটে থেকে হবে চলবে সন্ধে ছ’টা পর্যন্ত। মিছিলে থাকবেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। এক হাজারের বেশি লোক নয়। কোনও রকম স্লোগান নয়। যাবে না মাইক বাজানো।
এ দিন মামলাকারীর আইনজীবী ময়ূখ মুখোপাধ্যায় কোর্টে সওয়াল করতে গিয়ে আদালতে জানান, বুধবার কোনও পরীক্ষা নেই। তাও মিছিলের অনুমতি দেওয়া হয়নি। তিরিশ জন বিধায়ককে নিয়ে বিরোধী দলনেতা মিছিল করবেন। দু’হাজার লোক থাকবে। কোনও বক্তব্য রাখা হবে না। এরপর বিচারপতি জানতে চান, ‘ নির্বাচন কমিশনে সন্ধে ছ’টায় গেলে কী অসুবিধা হবে? ওখানে কোন সিও নেই। এরপরই জানতে চান, অ্যাডিশনাল সিও-এর সঙ্গে দেখা করবেন কি না। সঙ্গে নির্দেশ দেন লোক সংখ্যা কমানোর।
এরপর রাজ্যকে বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষ প্রশ্ন করেন, ‘চারটের পর কে পরীক্ষা দিতে যাবে?’ উত্তরে রাজ্যের তরফে আইনজীবী শীর্ষন্য বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘আইসি এসসি-র পরীক্ষা আছে। অফিস ছুটির সময়। অন্য রাস্তা দিয়ে যাক। রাজা সুবোধ মল্লিক স্কোয়ার থেকে যাক।’