বন্ধ ফ্ল্যাট থেকে বৃদ্ধার দগ্ধ দেহ উদ্ধার। এই মৃত্যু ঘিরে তৈরি হয়েছে রহস্যও। এদিকে পুলিশ সূত্রে খবর, মৃতের নাম মালবিকা মৈত্র (৭২)। দেহ উদ্ধার হলেও বেপাত্তা ওই বৃদ্ধার ছেলে। আর এখানেই তৈরি হয়েছে ধোঁয়াশা।
এদিকে প্রতিবেশীরা জানাচ্ছেন, সাড়ে বারোটা নাগাদ ফ্ল্যাট থেকে কালো ধোঁয়া বের হতে দেখেন তাঁরা। এরপরই খবর দেওয়া হয় সংশ্লিষ্ট থানায়। তার আগে ফ্ল্যাটের জানালার কাচ ভেঙে আগুন নেভানোর চেষ্টা করেন। কিন্তু তাতে আগুন আয়ত্তে আসছিল না। পুলিশ এসে ফ্ল্যাটের দরজা ভাঙে। কারণ ফ্ল্যাটের দরজায় বাইরে থেকে তালা ঝোলানো ছিল। শুধুমাত্র বৃদ্ধার যে খাটে শুয়েছিল, সেই খাটই জ্বলছিল। বৃদ্ধার মুখে বালিশ চাপা ছিল।
জানা যাচ্ছে, বৃদ্ধা ছেলে অভিষেক মৈত্রের সঙ্গে বিদ্যাসাগর কলোনির ফ্ল্যাটে ভাড়া থাকতেন। ছেলে বেসরকারি ব্যাঙ্কে কর্মরত। তার সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। কিন্তু এখনও পর্যন্ত তাঁর খোঁজ পাওয়া যায়নি বলে খবর।
প্রত্যক্ষদর্শীরা বলছেন যখন দরজা ভেঙে ঘরে ঢোকেন দেখে শুধুমাত্র বৃদ্ধার যে খাটে শুয়েছিল সেই খাট জ্বলছিল। তবে বৃদ্ধার মুখে চাপা দেওয়া ছিল বালিশ। কি ভাবে মৃত্যু গোটা ঘটনার খতিয়ে দেখছে পুলিশ। ঘটনাস্থলে পৌঁছায় লালবাজারের হোমিসাইড শাখার আধিকারিকেরাও। সঙ্গে খোঁজ চালানো হচ্ছে বৃদ্ধার ছেলের। তবে মৃত্যুর কারণ কী তা নিয়ে রয়েছে প্রশ্ন। অগ্নিদগ্ধ হয়েই মৃত্যু, নাকি তাঁকে খুন করে দেহ জ্বালিয়ে দেওয়া হয়েছে তার উত্তর খুঁজছে পুলিশ। কারণ বৃদ্ধার দেহ খাটের ওপর শুইয়ে রাখা ছিল, মুখে বালিশ চাপা দেওয়া থাকায় খুন করে দেহ পোড়ানোর তত্ত্ব
উড়িয়ে দিচ্ছে না পুলিশ।