শুভাশিস বিশ্বাস চলে গেলেন মণিশংকর মুখোপাধ্যায়। আক্ষরিক অর্থেই মণিহারা আজ বঙ্গ সাহিত্য জগত। পাঠকমহলে জনপ্রিয় ছিলেন সাহিত্যিক শংকর নামে। সাহিত্যিক শংকরের প্রয়াণে শোকজ্ঞাপন করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও। বিংশ শতকের মাঝামাঝি থেকে এই মণিশংকরের হাত ধরেই কলকাতাকে অন্যভাবে চিনতে শিখেছিল বাংলার পাঠকমহল। সালটা ১৯৫৫। যুবক বয়স থেকেই সাহিত্যচর্চার শুরু। তাঁর প্রথম উপন্যাস ‘কত অজানারে’। যেখানে মূল […]
Category Archives: উত্তর সম্পাদকীয়
নবমীতে জনজোয়ার কলকাতা আন্তর্জাতিক বইমেলায়। নবমী বলবো নাই বা কেন, রবিবার-ই যে এই বই উৎসবের অন্তিম দিন। কলকাতা বইমেলার সঙ্গে একমাত্র তুলনা চলে বাঙালির শ্রেষ্ঠ উৎসব দুর্গাপুজোর। কারণ, এই বইমেলার নামে ‘মেলা’ হলেও এটা আদতে বাঙালির কাছে একটা উৎসব ছাড়া আর কিছুই নয়। যেখানে সর্বস্তরের বাঙালি অংশ নেন মনেপ্রাণে। আর সেই কারণেই বাঙালির ‘বারো মাসে […]
করুণাময়ী বইমেলা প্রাঙ্গণে অর্থাৎ সেন্ট্রাল পার্কে চলছে বইয়ের উৎসব। বইয়ের এই উৎসব একেবারে শেষ লগ্নে। সাকুল্যে হাতে আর মাত্র দুটো দিন। শনি আর রবিবার। তবে ২৮ জানুয়ারি থেকে শুরু হওয়া কলকাতা আন্তর্জাতিক বইমেলায় রোজই বেলা ১২টা থেকে রাত আটটা পর্যন্ত নেমেছে মানুষের ঢল। যার ব্যতিক্রম ছিল না শুক্রবারেও। ১৯৮৩-তে আন্তর্জাতিক কলকাতা বইমেলা হিসেবে স্বীকৃত হয় […]
সনাতন হিন্দু ধর্মে একটা কথা আছে। ‘একম ব্রহ্ম দ্বিতীয় নাস্তি’ অর্থাৎ ‘ঈশ্বর’ হলেন ‘এক’ ও ‘অদ্বিতীয়’ । আবার ‘একম অদ্বিতীয়ম’ অর্থাৎ ‘ঈশ্বর অদ্বিতীয়’। ঠিক এমনই এক ছবি ধরা পড়ল ক’দিন আগে দলের তৃণমূলের ওয়ার্কিং কমিটির বৈঠকে। সেদিনের বৈঠকে ‘তিনি’ প্রকারান্তরে বুঝিয়ে দিয়েছিলেন, তৃণমূলে ক্ষমতার কেন্দ্র একটাই। দুটো নয়। আমি দলের চেয়ারপার্সন, আমার কথাই শেষ কথা। […]
গান্ধীজি যখন অনশনে বসেছিলেন তখন তাঁকে যিনি গান শুনিয়েছিলেন তিনি অরুন্ধতী দেবী। গান দুটি ছিল ‘যদি তোর ডাক শুনে’ আর ‘আমায় ক্ষম হে ক্ষম’। গান্ধীজির মৃত্যুর পরে অর্থাৎ ১৯৪৮ সালের ৩১ জানুয়ারি আকাশবাণীতে অন্যান্য শিল্পীদের সঙ্গে অরুন্ধতী মুখোপাধ্যায় তাঁর প্রিয় মানুষটিকে শ্রদ্ধা জানিয়েছিলেন তাঁর আরও এক প্রিয় মানুষ তাঁরই গুরুদেব রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে গানের মধ্যে দিয়ে। […]
উত্তমকুমারের অকাল প্রয়াণের পরে এক জোরালো ধাক্কা লাগে বাংলার মূলধারার সিনেমায়। তারই জেরে বিংশ শতাব্দীর আটের দশকের শেষ থেকেই বাংলা ছবির বাজারে সমান্তরাল ধারার ছবির প্রযোজক পাওয়ার সমস্যা বাড়ছিল। পশ্চিমবঙ্গ সরকারের তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তরের পক্ষেও ভরতুকি দিয়ে ছবি করার প্রযোজনা ঝুঁকি নেওয়ার ক্ষেত্রেও উৎসাহ তেমনভাবে দেখা যাচ্ছিল না। শুধু তাই নয়, কম টাকায় আবেগপূর্ণ […]
বছর ঘুরতে না ঘুরতেই যাঁদের বহু শিরোপাধারী গানও হারিয়ে যায় স্মৃতির ডাস্টবিনে। অথচ রফি, মুকেশ, কিশোরদের গান শুনতে গিয়ে সবাই ভোলেন সময়ের পাকদণ্ডী। ভারতীয় সঙ্গীতশিল্পী হিসেবে একসময় সমগ্র উপমহাদেশে কিংবদন্তি ব্যক্তিত্ব ছিলেন মহম্মদ রফি। প্রায় চল্লিশ বছর সময়কাল ধরে সঙ্গীত জগতে থাকাকালীন তিনি ছাব্বিশ হাজারেরও অধিক চলচ্চিত্রের গানে নেপথ্য গায়ক হিসেবে সম্পৃক্ত ছিলেন মহম্মদ রফি। […]
গজলকে সাধারণের কাছে পৌঁছে দিতে যাঁরা এগিয়ে এসেছিলেন তাঁদের পুরোধা হিসেবে ধরা হয় তালাত মাহমুদকে, বাংলা সঙ্গীত জগতে একসময় যিনি পরিচিত ছিলেন তপন কুমার নামে। এই তালাত মাহমুদের গান শুরু হয়েছিল গজল দিয়ে লখনউয়ে, ১৯৩৯ সালে ম্যারিস কলেজে। পরে যার নাম বদলে ভাতখণ্ডে সঙ্গীত মহাবিদ্যালয়। ১৯৩৯-এ, বয়স তখনও মোটে ষোলো, তখনই লখনউ রেডিয়োতে ওঁর গাওয়া […]
রাগসঙ্গীত থেকে ভজন এবং নানা ধরনের মেলোডি নির্ভর গানে দক্ষতার পরিচয় তিন দশক ধরে দিয়ে গিয়েছেন মদনমোহন। হিন্দি ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির সাথে ছিল তাঁর নাড়ির যোগ। তাঁর এই হিন্দি গানের সম্ভারে দেশি ও বিদেশি সুরের নানা পরীক্ষা নিরীক্ষা এবং বাণিজ্যিক সঙ্গীতের ক্ষেত্রেও তাঁর বিভিন্ন ধরনের গবেষণাধর্মী ভাবনা-চিন্তার প্রয়োগ পরম্পরা উদ্বেল করেছিল ভারতবাসীর মন। গোটা পঞ্চাশ, ষাট […]
যিনি কোনওদিন বক্স অফিসের কথা ভেবে ছবি করেননি। আপোস করেননি তাঁর বোধ বা শিল্পীসত্তার সঙ্গে। যাঁর পাণ্ডিত্য ও মার্জিত রুচির ছাপ থাকত তাঁর সৃষ্টিতে। বলিউডি ঘরানার পরিচালক না হলেও বলিউডের সমস্ত পরিচালক, অভিনেতা-অভিনেত্রী ও কলাকুশলীদের কাছে যিনি ছিলেন অত্যন্ত সম্মানীয়, তিনিই কুমার সাহানি। কুমার সাহানির জন্ম ১৯৪০ সালে অবিভক্ত ভারতের সিন্ধু প্রদেশের লারকানা জেলায়, বর্তমানে […]










