একসাথে ২৫ হাজার ৭৫২ জনের চাকরি যেতে সমস্যা হতে পারে উচ্চ মাধ্যমিকের খাতা দেখায়

সুপ্রিম কোর্টের এর আগের শুনানির সময় রাজ্য সরকারের তরফ থেকে জানানো হয়েছিল,এতজন শিক্ষকের চাকরি একসঙ্গে বাতিল হলে রাজ্যের শিক্ষাব্যবস্থায় বড় প্রভাব পড়বে। এরপর বৃহস্পতিবার দেশের সর্বোচ্চ আদালত রায় ঘোষণা করে। ক্যানসার আক্রান্ত সোমা দাস বাদ দিয়ে বাকি ২৫ হাজার ৭৫২ জনের চাকরি বাতিল হয়েছে। এত জনের চাকরি বাতিলের প্রভাব বাংলার শিক্ষা ব্য়বস্থায় পড়বে কি না তা নিয়ে শুরু হয়েছে জল্পনা। এদিকে সদ্যই শেষ হয়েছে মাধ্য়মিকউচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা। পড়ুয়াদের খাতা দেখার কাজও শুরু হয়েছে। তাহলে এই এতজনের চাকরি বাতিলের প্রভাব এই খাতা দেখায় পড়বে কি না তা নিয়েও তৈরি হয়েছে প্রশ্ন। এই প্রসঙ্গে উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের তরফ থেকে জানানো হয়েছে, জেলাগুলি থেকে হামেশাই উঠে আসে শিক্ষক নেই। বাড়ছে স্কুলছুটের সংখ্যা। এর মধ্যে এই রায় কি প্রভাব ফেলবে? ইতিমধ্যেই জানা যাচ্ছে, ফরাক্কা অর্জুনপুর হাই স্কুলের মোট শিক্ষক ও শিক্ষিকার সংখ্যা ৬০ জন। তাঁদের মধ্যে ৩০ জনের চাকরি চলে গিয়েছে। বাতিল হওয়া শিক্ষক ও শিক্ষিকার সংখ্যা বাদ দিলে এখন মোট শিক্ষক ও শিক্ষিরার সংখ্যা ২৪ জন। একা মুর্শিদাবাদ নয়, গোটা জেলাতেই এই একই ছবি।

এ দিন, ২৬ হাজার চাকরি বাতিলের সুপ্রিম নির্দেশের পরই তড়িঘড়ি অ্যাকশনে নামে নবান্ন। জরুরি ভিত্তিতে বৈঠকে বসছে রাজ্যের শিক্ষা দফতরে। যত দ্রুত সম্ভব পদক্ষেপ করা হবে, বলে জানিয়েছেন শিক্ষাসচিব বিনোদ কুমার। তবে পরীক্ষার খাতা দেখার বিষয়ে উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই চাকরি যাওয়া একটু এফেক্ট তো পড়েবেই। তবে পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

4 + 4 =