বুধবার ঘড়ির কাঁটায় ১২টা ৪৯ মিনিট ৩৪ সেকেন্ড। আচমকাই আঁধারে ঢাকে কলকাতা হাইকোর্ট। অন্ধকার নামে এজলাসেও। ফলে থমকে যায় বিচারপ্রক্রিয়া। শুধু এজলাসই নয়, বন্ধ হয়ে যায় একাধিক লিফট, এক্সেলেটর। মাঝপথে এভাবে লিফট বন্ধ হয়ে যাওয়ায় আটকে পড়েন আইনজীবী ও মামলাকারীরা। তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। পরে জানা যায়, হঠাৎই পাওয়ার কাটের জেরে হাইকোর্টের বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। তারই জেরে এই বিপত্তি।
আদালত সূত্রের খবর, সেই সময় বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষের মিথিলাসে চলছিল একটি মামলা। আচমকা লোডশেডিং এ পুরো ঘর অন্ধকার হয়ে যায়। সঙ্গে সঙ্গে উপস্থিত বুদ্ধি কাজে লাগান এজলাসে হাজির থাকা আইনজীবীরা। প্রায় ৫০ জন আইনজীবীর মোবাইল ফোনের আলোতে ঝলমল করে ওঠে আদালত কক্ষ। মোবাইল ফোনের সেই আলোতে মামলার রায় লেখেন বিচারপতি।
কয়েক মাস আগেও একবার লোডশেডিং এর ঘটনা ঘটেছিল কলকাতা হাইকোর্টে। তবে সেবারে নির্দিষ্ট একটি অংশে বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়েছিল। এবারে সমগ্র আদালত চত্বরের বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছে। যা এক কথায় নজির বিহীন। প্রসঙ্গত, মার্চের শুরু থেকেই এবারে তীব্র তাপদাহ রয়েছে। তারই জেরে উত্তরোত্তর বাড়ছে বিদ্যুতের চাহিদা। বিশেষজ্ঞদের অনেকের মতে সে কারণেই আচমকা, কলকাতার বিস্তীর্ণ অঞ্চলে বিদ্যুৎ বিপর্যয় হয়েছে। তারই প্রভাব পড়েছে কলকাতা হাইকোর্টেও।