২৬ হাজারের চাকরি বাতিল হয়েছে। দুর্নীতি অভিযোগ তুলে এই ২০১৬ সালের এই প্যানেল বাতিল করেছে সুপ্রিম কোর্ট। কারা যোগ্য–কারা অযোগ্য তার পৃথকীকরণ সম্ভব নয় বলেই জানিয়েছে কোর্ট। এরপরই কান্নায় ভেঙে পড়তে দেখা যায় চাকরিহারাদের। যে দিন, এই রায় দিয়েছে দেশের সর্বোচ্চ আদালত, সেই দিনই বিশেষ সিবিআআই আদালতে জমিনের আবেদন করতে দেখা গেল প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে। সেখানে প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রীর আইনজীবী বলেন, তাঁর মক্কেল নির্দোষ। যে কোনও শর্তে জামিন দেওয়া হোক তাঁকে। তবে এর আগে এই পার্থকে ‘দুর্নীতির মাস্টার মাইন্ড’ বলেছিল সিবিআই।
এ দিন পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের আইনজীবী বিপ্লব গোস্বামী আদালতে জানান, ‘আমার মক্কেল ওএমআর শিট নষ্ট করেননি। ওএমআর শিট নষ্টের ক্ষেত্রে তাঁর কোনও ভূমিকা নেই। সিবিআই তাদের প্রথম চার্জশিটে ওএমআর শিট নষ্ট করার জন্য একটি সংস্থাকে যুক্ত করেছিল। এমনকী সেই চার্জশিটে আমার মক্কেলের ভূমিকা রয়েছে বলেও জানানো হয়নি। একইসঙ্গে আইনজীবী বিপ্লব গোস্বামী এদিন আদালতে এও জানান, যে তাঁর মক্কেল আড়াই বছরের বেশি সময় ধরে জেল হেফাজতে রয়েছেন। এই মামলায় পরে গ্রেফতার হয়েও অনেকে জামিন পেয়েছেন। দীর্ঘদিন সিবিআই তাঁর মক্কেলকে জেলে গিয়ে কোনও জিজ্ঞাসাবাদও করেনি। সেই কারণেই যে কোনও শর্তে জামিন দেওয়া হোক।
এরপরই বিচারক শুভেন্দু সাহা সিবিআই–এর আইনজীবীর কাছে জানতে চান, সিবিআইয়ের নতুন করে কিছু বলার আছে কি না। উত্তরে সিবিআই আইনজীবী জানান, তাঁদের কিছু বলার নেই।
প্রসঙ্গত, পার্থর জামিনের আবেদনের শুনানিতে আগেরদিন সিবিআই আদালতে দাবি করেছিল পার্থর নির্দেশেই ওএমআর নষ্ট করা হয়েছিল। এরই প্রেক্ষিতে এমন মন্তব্য পার্থর আইনজীবীর।