প্রায় দু মাস পরে হরিদেবপুরে গৃহবধূ খুনের কিনারা করল পুলিশ। গ্রেফতার করা হল গৃহবধূর স্বামী কার্তিক দাসকে। স্ত্রীকে খুন করে পালিয়ে যাওয়ার প্রায় দু মাস পরে শহরে ফিরতেই পুলিশের জালে ধরা পড়ল অভিযুক্ত স্বামী। পুলিশি জেরায় ধৃত দাবি করেছে, স্ত্রী একাধিক পরকীয়া সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েছিলেন। সেই আক্রোশ থেকেই তাঁকে খুন করে কার্তিক।
গত ২৩ জানুয়ারি হরিদেবপুর থানা এলাকার ডায়মন্ড পার্কে উদ্ধার হয় এক গৃহবধূর রক্তাক্ত দেহ। ঘটনার পর থেকেই পলাতক ছিল গৃহবধূর স্বামী কার্তিক সেন। মৃতার বাপের বাড়ির পক্ষ থেকে কার্তিক দাসের বিরুদ্ধে হরিদেবপুর থানায় খুনের অভিযোগও দায়ের করা হয়। অভিযুক্তের নাম, ছবি প্রকাশ করে তার নামে পুরস্কারও ঘোষণা করে পুলিশ।
পুলিশ সূত্রে খবর, আগে গাড়ি চালাতেন কার্তিক। কিন্তু এক চোখের দৃষ্টিশক্তি চলে যাওয়ার পর কার্যত ভিক্ষাবৃত্তি করেই দিন কাটত তার। স্ত্রীকে হত্যার পর গত দু মাস ধরে মুম্বই, বেঙ্গালুরু, হায়দ্রাবাদ, কটকের মতো বিভিন্ন শহরে ঘুরে ঘুরে ভিক্ষাবৃত্তি করে সে। এরপর রবিবার হাওড়া স্টেশনে ট্রেন থেকে নামে কার্তিক। এরপরই গোপন সূত্রে খবর পেয়ে রাতেই হাওড়া স্টেশন থেকে অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে পুলিশ। পুলিশ সূত্রে খবর, হাওড়া স্টেশনে নামার পর স্টেশন চত্বরেই ঘোরাঘুরি করছিল কার্তিক। হাঁটাচলার ধরন এবং এক চোখে দৃষ্টিশক্তি না থাকায় তাকে চিহ্নিত করতে সুবিধা হয়। ছবি মিলিয়ে নিশ্চিত হওয়ার পরই অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে পুলিশ।