এই মার্চেই রীতিমতো কাহিল অবস্থা। তাপমাত্রা যেভাবে ঊর্ধ্বমুখি তাতে বড়রাই নাজেহাল। সেখানে বাচ্চাদের অবস্থা যে কাহিল তা বলার অপেক্ষা রাখে না। আর এই প্রসঙ্গেই প্রশ্ন উঠেছে যে, তাহলে এবছর আগে ভাগেই গরমের ছুটি পড়ছে কি না তা নিয়ে। জল্পনা শুরু হয়েছে কী সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিকাশ ভবন তা নিয়েও। বিকাশ ভবন সূত্রে জানা গিয়েছে, এখনই গরম নিয়ে সিদ্ধান্ত নিতে চাইছেন না তাঁরা। এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে আরও এক সপ্তাহ অপেক্ষা করতে চায় বিকাশ ভবন। জেলাভিত্তিক রিপোর্ট পাওয়ার পরেই এ বিষয়ে পর্যালোচনা করা হবে বলে জানা গিয়েছে।
সাধারণত গরমের ছুটি পড়ে মে মাসের ১২ থেকে ২৩ তারিখ নাগাদ। এখনই একাধিক জেলায় তাপপ্রবাহের সতর্কতা জারি করা হয়েছে৷ মে মাসে পরিস্থিতি কোথায় পৌঁছবে, জেলায় জেলায় তাপপ্রবাহের তীব্রতা বাড়া নিয়েই আশঙ্কায় শিক্ষকেরা।
আবার অন্যদিকে, লম্বা ছুটি পড়লে দ্বিতীয় সামিটিভ পরীক্ষার সিলেবাস শেষ হবে কী করে? চিন্তা রয়েছে তা নিয়েও। বর্তমানে বছরে তিনবার ক্লাস ভিত্তিক মূল্যায়ন করা হয় পড়ুয়াদের। এপ্রিল, সেপ্টেম্বর ও ডিসেম্বর মাসে। ইতিমধ্যে স্কুলগুলিতে প্রথম সামেটিভের পরীক্ষা শুরু হয়েছে। পরীক্ষার পরই শুরু হবে উচ্চ মাধ্যমিকের তৃতীয় সেমেস্টারের ক্লাস। স্কুল শিক্ষা দফতর সূত্রের খবর, তাই গরমের ছুটি নিয়ে চটজলদি সিদ্ধান্ত চায় না রাজ্য সরকার। যদিও রাজ্যজুড়ে প্রাথমিক স্কুলগুলিতে ক্লাস নেওয়ার সময় সীমার বদল হবে কি না, তা নিয়ে বিভিন্ন জেলা থেকে রিপোর্ট জমা পড়ছে।