শুক্রবার গুলি চলল রাজারহাটে। সূত্রে খবর, তৃণমূলকর্মীকে লক্ষ্য করে পরপর গুলি চালানো হয়। রাজারহাটের নারায়ণপুর এলাকায় তৃণমূল কর্মী হাজি ইসরার আহমেদকে লক্ষ্য করে গুলি চালানোর অভিযোগ উঠেছে। যাঁদের বিরুদ্ধে অভিযোগ তারাও তৃণমূলেরই সমর্থক।
হাজি ইসরার আহমেদকে লক্ষ্য করে চার রাউন্ড গুলি চলে বলে অভিযোগ। অল্পের জন্য রক্ষা পান বিধাননগর পুরসভার চেয়ারম্যান সব্যসাচী দত্তের অনুগামী। আর সেই অনুগামী হওয়ার জন্যই নাকি বিধায়ক তাপস চট্টোপাধ্য়ায় লোক পাঠিয়ে গুলি তাঁর উপর গুলি চালিয়েছে, এমনই অভিযোগ উঠেছে। তবে এই ঘটনায় এখনও অবধি বিধায়ক তাপস চট্টোপাধ্যায়ের কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
এই ঘটনায হাজি ইসরার জানান, ইদের দিন যেহেতু তিনি সব্যসাচী দত্তকে বাড়িতে নিমন্ত্রণ করেছিলেন, সেই জন্যই তাপস চট্টোপাধ্যায় তাঁদের উপর রেগে গেছেন। একইসঙ্গে তিনি এও জানান, ‘বৃহস্পতিবারই তাপসবাবু আমার বাবার নাম তুলে গালিগালাজ করেছে, আর আজকে আজাদ বলে একটা গুন্ডা পাঠিয়েছে।’
এদিকে ইসরার আহমেদের বাড়িতে যাওয়ার কথা স্বীকার করেছেন সব্যসাচী দত্ত। তবে আজাদ নামে কাউকে চেনেন না তিনি। সব্যসাচী বলেন, ‘কোন আজাদের কথা বলছে জানি না। ইসরারকে চিনি। ওঁর বাবা ৯২ বছরের এক হাজি সাহেব। ইদের দিন ঘুরতে ঘুরতে ওদের বাড়ি গিয়েছিলাম। ওঁর বাবার কাছ থেকে আশীর্বাদ নিয়ে এসেছি।’
গুলি চালানোর ঘটনা প্রকাশ্যে আসতেই ঘটনাস্থলে পৌঁছায় পুলিশ। হামলার সিসি ক্যামেরা ফুটেজও সংগ্রহ করেছে তারা। ইসরারের আত্মীয়দের দাবি, এদিন দুপুরে তাঁদের বাড়ি লক্ষ্য করেও গুলি চালানো হয়েছে। অভিযোগ, ৩০ থেকে ৪০ রাউন্ড গুলি চালানো হয়েছে নারায়ণপুর এলাকায়।