সুজয়কৃষ্ণ ভদ্র ইডির মামলায় রেহাই পেয়েছিলেন অনেক দিন আগেই কিন্তু হোঁচট খেতে হচ্ছিল সিবিআইয়ের কাছে। অবশেষে গত মাসে প্রাথমিক নিয়োগ মামলায় ধৃত সুজয়কৃষ্ণ ভদ্রকে শর্তসাপেক্ষ অন্তর্বর্তী জামিন দেয় কলকাতা হাইকোর্ট। আগামী ৩১ মার্চ পর্যন্ত ছিল ‘কাকু’র এই অন্তর্বর্তী জামিনের পর্ব। হাতে আর মাত্র দশ দিন। তারপরেই আবার হেফাজতেই ফিরতে হত সুজয়কৃষ্ণ ওরফে ‘কালীঘাটের কাকু’কে। কিন্তু তার আগেই আদালতে অন্তর্বর্তী জামিনের মেয়াদ বাড়ানোর আর্জি নিয়ে দ্বারস্থ হতে দেখা গেল সুজয়কৃষ্ণকে। সূত্রে খবর, কলকাতা হাইকোর্টে ‘কাকু’র জামিনের মেয়াদ বাড়ানোর জন্য আর্জি জানিয়েছেন তাঁর আইনজীবী। সোমবার বিচারপতি অরিজিত বন্দ্যোপাধ্যায় ডিভিশন বেঞ্চে হবে এই শুনানি।
উল্লেখ্য, অন্তর্বর্তী জামিনে ‘কাকু’র উপর লাগু হয়েছিল একাধিক শর্ত। বিচারপতি জানিয়ে দিয়েছিলেন, যেহেতু শারীরিক অবনতির কথা ভেবেই সুজয়কৃষ্ণকে জামিন দেওয়া হচ্ছে, সেহেতু শুধুমাত্র চিকিৎসা সংক্রান্ত কোনও প্রয়োজনীয়তা ঘরের বাইরে পা রাখতে পারবেন না সুজয়কৃষ্ণ। পাশাপাশি, তাঁর দু’টি মোবাইল নম্বরও দিয়ে রাখতে হবে সিবিআইকে। তবে সেই অন্তর্বর্তী জামিনের পালা এবার শেষ হওয়ার আগেই আদালতে আবার দ্বারস্থ সুজয়কৃষ্ণ।
প্রসঙ্গত, সদ্যই পাঁচ বার তলবের পর অবশেষে ষষ্ঠবারে আদালতে হাজিরা দিতে এসেছিলেন ‘কাকু’। মূলত, প্রাথমিকের তদন্তে সুজয়কৃষ্ণের কণ্ঠস্বরের নমুনা পরীক্ষায় তাকে বারবার তলব করেছিল সিবিআই তদন্তকারীরা। কিন্তু শারীরিক ব্যাধিকে ঢাল করেই বারবার প্রাণ বাঁচিয়েছেন তিনি। অবশেষে গত মাসেই জামিনের ঠিক আগে ষষ্ঠ বারের তলবে সাড়া দিয়ে সেই ‘গলা দিতে’ আদালতে যান তিনি।