কলকাতার চারটি ওষুধের কারখানায় হানা দিয়েছে রাজ্য ড্রাগ কন্ট্রোল। বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে অন্তত ২০ লক্ষ টাকার সন্দেহজনক ওষুধ। সূত্রে খবর মিলছে, পুদুচেরি থেকে আগ্রা হয়ে কলকাতায় ঢুকছে সন্দেহজনক ওষুধ। সঙ্গে এ খবরও মিলেছে, আগ্রা থেকে কিনে এই ওষুধ সাপ্লাই করতেন কেষ্টপুরের এক ব্যবসায়ী। এ ব্যাপারে বিস্তারিত আরও তথ্য জানতে ভিন রাজ্যের ড্রাগ কন্ট্রোলের সঙ্গে যোগাযোগ করতে চলেছে রাজ্য ড্রাগ কন্ট্রোল।
রাজ্য ড্রাগ কন্ট্রোল সূত্রে জানা যাচ্ছে, মূলত সড়কপথকে ব্যবহার করে এই রাজ্যে ঢুকছে জাল ওষুধ। ওড়িশা, বিহারের মতো রাজ্য থেকে দূরপাল্লার বাসে বাংলায় ঢুকছে বাক্স ভর্তি এই জাল ওষুধ। অভিযোগ,পাঁচশো থেকে হাজার টাকার বিনিময়ে সেই ওষুধ বড় বাজারের পাইকারির দোকানে পৌঁছে দেন মুটেরা।
এ প্রসঙ্গে বেঙ্গল কেমিস্ট অ্যান্ড ড্রাগিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের সম্পাদক পৃথ্বী বসু এই প্রসঙ্গে অনুরোধের সুরে জানান, ‘ডিসকাউন্টের চক্করে সমস্ত বোর্ড দয়া করে রিটেলারদের নামানোর নির্দেশ দিন।’ এফএমআরএআই-এর সদস্য শান্তনু মিত্র বলেন, ‘কোম্পানি তো জাল ওষুধ বানাচ্ছে না। জাল ওষুধ বানাচ্ছে কিছু অসাধু ব্যবসায়ী। জাল ওষুধ কোনওভাবে ঢুকে পড়ছে। এই ফাঁক ফোকর বন্ধ হওয়া দরকার। ডিসকাউন্ট দিয়ে ওষুধ বিক্রিকে বন্ধ করা খুবই কঠিন।’