কলেজ নির্বাচন নিয়ে রাজ্যের অবস্থান জানতে চাইল আদালত

রাজ্যের প্রতি কলেজের নির্বাচন নিয়ে উচ্চ শিক্ষা দফতর কবে পদক্ষেপ করবে, জানতে চাইল আদালত। একইসঙ্গে কলেজ নির্বাচন নিয়ে প্রধান বিচারপতি টি এস শিবজ্ঞানমের ডিভিশন বেঞ্চ জানতে চায়,  নির্বাচন নিয়ে রাজ্যের অবস্থান কী তা নিয়েও। এই প্রসঙ্গে আদালতের পর্যবেক্ষণ, নির্বাচন না হলে ছাত্রদের একটা ক্ষোভ তৈরি হয়। এরপরই মামলাকারী আইনজীবী উদয় চট্টোপাধ্যায়, সায়ন বন্দ্যোপাধ্যায় আদালতে বৃহস্পতিবার সওয়াল করেন, রাজ্যের অন্য কোন নির্বাচন বন্ধ হয় না। কিন্তু সমস্যা হয় কলেজের নির্বাচন করতে। লিংডো কমিশন অনুযায়ী নির্বাচন করতে হবে। আদালতকে তাঁরা জানান, ২০১৩ এর পর কোন নির্বাচন হয়নি। অথচ পুজো, ফেস্ট ইত্যাদির টাকা অনুমোদিত হয় নিয়মিতভাবে। এরপরই প্রধান বিচারপতি বলেন, ‘আপনাদের একটা অবস্থান নিতে হবে। নির্বাচন না হলে ছাত্রদের মধ্যে একটা ক্ষোভ তৈরি হয়। এই ধরণের মামলায় সব সময় আপনারা সময় চান। তারপর ভোটার লিস্ট তৈরি হয়ে গেলে সেই আদালতে সবাই আসেন। আপনারা কবে নির্বাচন করবেন সেটা ঠিক করে জানান।’

রাজ্যের তরফে আইনজীবী শীর্ষণ্য বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘আমাদের আরও সময়  দেওয়া হোক। বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয়েছে, পদ্ধতির মধ্যে আছে।’ সূত্রের খবর, রাজ্যের তরফ থেকে আদালতে আরও তিন মাস সময় চাওয়া হয়। রাজ্য সরকারের এই আবেদন খারিজ করে দিয়ে প্রধান বিচারপতি ডিভিশন বেঞ্চ জানায়, তিন মাস নয় তিন সপ্তাহের মধ্যে রাজ্য সরকারকে স্পষ্ট করতে হবে তারা কখন কীভাবে ছাত্র নির্বাচন করবে।

প্রধান বিচারপতি তখন বলেন, ‘রাজ্যের রুল অনুযায়ী প্রতি দু’বছর অন্তর নির্বাচন করতে হবে। প্রায় দু’দশক হয়েছে নির্বাচন অনুযায়ী। স্পষ্ট অবস্থান চাওয়া হচ্ছে নির্বাচন নিয়ে কী পদক্ষেপ করতে চাইছে হায়ার এডুকেশন দফতর।’ এ বিষয়ে আদালত হলফনামা তলব করেছে। তিন সপ্তাহ পর ফের এই মামলার শুনানি।

 

 

 

 

 

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

eighteen + fourteen =