সুপ্রিম কোর্টে এসএলএসটিদের মামলা বিচারাধীন। সেই কারণে বৃহস্পতিবারও এই মামলার শুনানি হল না হাইকোর্টে। আদালত সূত্রে খবর, পরবর্তী শুনানি ২৫ এপ্রিল। এর মধ্যে যদি সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ আসে, তাহলে এই মামলা জরুরি ভিত্তিতে শুনানির আর্জি জানানো যাবে বলেও জানিয়ে দেওয়া হয়েছে বিচারপতি বিশ্বজিৎ বসুর সিঙ্গেল বেঞ্চের তরফে।
আদালত সূত্রে খবর, গত শুনানিতে আদালত জানতে চেয়েছিল এই মামলায় শূন্যপদ তৈরি করে চাকরি দেওয়া বৈধ কিনা তা নিয়েই। সঙ্গে এও জানতে চাওয়া হয়েছিল এ ব্যাপারে আইন কী বলছে তাও।
সংশ্লিষ্ট মামলাটি শীর্ষ আদালতে বিচারাধীন রয়েছে। শীঘ্রই ওই মামলায় সুপ্রিম কোর্ট নিজের রায়দান করবে। তাই উচ্চ আদালতে এই মামলার বৃহস্পতিবার শুনানি হল না। বিচারপতি বিশ্বজিৎ বসু জানান, সুপ্রিম কোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ যতদিন না এই মামলায় রায় দিচ্ছে ততদিন এই মামলায় কোনও রায় দান করবে না সিঙ্গেল বেঞ্চ। এই ব্যাপারে আদালতের তরফ থেকে কারণ দর্শিয়ে বলা হয়েছে, বিচারপতি বসুর একটি নির্দেশের বিরোধিতা করে সুপ্রিম কোর্টে স্পেশ্যাল লিভ পিটিশন করেছে রাজ্য। সেই মামলার শুনানি শেষে রায়দান স্থগিত করেছে সুপ্রিম কোর্ট।
বস্তুত, ২০১৬ সালে এসএলএসটি-র মাধ্যমে কর্মশিক্ষা ও শারীরশিক্ষার চাকরিপ্রার্থীদের প্যানেল প্রস্তুত হয়ে গেলেও মামলার কারণে নিয়োগ আটকে রয়েছে বলে একাধিক সভা থেকে অভিযোগ তুলেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তৃণমূলের কুণাল ঘোষও বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্যের নাম করে আক্রমণ শানিয়েছেন এ ব্যাপারে। ২০২২ সালে রাজ্য সরকারের তৈরি অতিরিক্ত ১৬০০ শূন্যপদ নিয়ে এই মামলা। কিন্তু অভিযোগ, অনেক যোগ্য চাকরিপ্রার্থী সুপারিশপত্র পেয়ে গেলেও নিয়োগ পাননি।