সিআইডির হেফাজতে কুণালের থাকাকালীন ফোন ব্যবহার নিয়ে অভিযোগ ইডির

সিআইডি হেফাজতে থাকাকালীন ধৃত ব্যক্তি কুণাল গুপ্তা ফোন ব্যবহার করেছেন বলে অভিযোগ। কিছুদিন আগেই ভুয়ো কলসেন্টার মামলায় হাইকোর্ট চত্বর থেকে কুণাল গুপ্তাকে গ্রেফতার করে সিআইডি। ইডির তরফে ওই ব্যক্তির বিরুদ্ধে আগেই একটি মামলা রুজু করে তদন্ত চালানো হচ্ছিল। সেই মামলায় হাইকোর্টে হলফনামা দিতে আসেন কুণাল। তখনই তাঁকে পাকড়াও করে সিআইডি। কেন সিআইডি গোয়েন্দারা হঠাৎ করে অভিযুক্তকে গ্রেফতার করল, তা নিয়ে আদালতে সেদিনই প্রশ্ন তোলা হয় ইডির তরফ থেকে। এবার কুণালে বিরুদ্ধে নয়া অভিযোগ আনল ইডি। সঙ্গে জড়িয়ে গেল রাজ্য গোয়েন্দা দফতর সিআইডির নামও। ইডি আদালতে স্পষ্টই জানায়,  কুণাল সিআইডি হেফাজতে থাকাকালীন ফোন ব্যবহার করেছেন। চলতি সপ্তাহে হাইকোর্টে মামলার শুনানির সময়ে বিষয়টি আদালতের নজরে আনে ইডি। এদিকে আদালত সূত্রে খবর আদালতের নির্দেশনামাতেও এই বিষয়ের কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

ইডি হাইকোর্টে এই বিষয়টি নজরে আনতেই আইনজীবীদের একাংশের অভিযোগ, এমন ঘটনা আসলে নিয়ম লঙ্ঘনের সামিল। গ্রেফতারির পর কোনও অভিযুক্ত হেফাজতে থাকাকালীন ফোন ব্যবহার করতে পারেন না। সেক্ষেত্রে ওই ব্যক্তি কীভাবে সিআইডি হেফাজতে থাকাকালীন ফোন ব্যবহার করলেন, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন অনেকেই। কারণ, আদালতে ইডির আইনজীবী জানিয়েছেন ধৃত কুণাল সিআইডির হেফাজতে থাকাকালীন নিজের অফিসারদের সঙ্গে ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করেছিলেন।

অন্যদিকে অভিযুক্তের পক্ষের আইনজীবীর আবার বক্তব্য ছিল, সিআইডি-ই তরফেই তাঁর মক্কেলকে বলা হয়েছিল নিজের সঙ্গীদের ফোন করতে। তদন্তের স্বার্থেই হেফাজতে থাকাকালীন তাঁকে নিজের বন্ধুদের সঙ্গে যোগাযোগের জন্য সিআইডি বলেছিল বলে দাবি অভিযুক্তর আইনজীবীর। এদিকে রাজ্য গোয়েন্দা দফতর সিআইডির বক্তব্য, তারা কোনও অনৈতিক কাজ করেনি। সে কথা আদালতকেও জানিয়েছে তারা।

উল্লেখ্য, ভুয়ো কল সেন্টার মামলায় অভিযুক্ত কুণাল গুপ্তার ইতিমধ্যেই ১৫০ কোটি টাকার সম্পত্তির হদিশ ইডির অফিসারদের হাতে এসেছে। গত সপ্তাহেই কুণাল গুপ্তার অফিস-সহ বিভিন্ন জায়গায় গভীর রাত পর্যন্ত তল্লাশি অভিযান চালিয়েছিলেন কেন্দ্রীয় সংস্থার অফিসাররা। সেই সময়েই এই সব নথির সন্ধান মিলেছে বলে সূত্রের খবর।

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

seven − 3 =