ইন্দুলেখা ভৃঙ্গ হেয়ার গ্রোথ সিরামের দ্বিতীয় ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল শেষের সঙ্গে প্রমাণ করল ৯০ দিনে নতুন চুল গজানোর তত্ত্বকেও

ইন্দুলেখা কোম্পানি ইন্দুলেখা ভৃঙ্গ হেয়ার গ্রোথ সিরামের দ্বিতীয় বৃহত্তম ক্লিনিকাল স্টাডির সফল সমাপ্তি ঘোষণা করেছে। এর ক্লিনিকাল ট্রায়ালে দেখা যাচ্ছে যে আয়ুর্বেদিক চুল গজানোর সিরামের প্রভাবে ৯০ দিনে ১১,০০০-এর বেশি চুল গজানোর পাশাপাশি চুলের ঘনত্ব বাড়ে এবং চুলের গোড়া শক্ত হয়। এর ফলে ভারতের সবচেয়ে ক্লিনিকালি প্রমাণিত হেয়ার গ্রোথ সিরাম হিসাবে তার অবস্থান আরও শক্ত করল।

সাম্প্রতিকতম ট্রায়ালগুলো থেকে প্রাপ্ত প্রধান বিষয়বস্তু, ২০২৪ সালের এক স্টাডির পর ২০২৫ সালের ট্রায়ালের ফলাফল:

• ৯০ দিনে ১১,০০০ নতুন চুল গজায়, কঠোর বৈজ্ঞানিক পরীক্ষার মাধ্যমে প্রমাণিত।

• যেসব সিরামে ৩% রিডেনসিল থাকে, সেগুলোর তুলনায় ২ গুণ বেশি চুল গজায়।

• অ্যানাজেন-টু-টেলোজেন (A:T) রেশিওতে ৭৪% উন্নতি, যা এই প্রোডাক্টের বেশি স্বাস্থ্যকর চুল গজানোর চক্র ফের চালু করার ক্ষমতা প্রমাণ করে। এই প্রসঙ্গে এটাও বলে রাখা শ্রেয়, এই সমীক্ষাগুলো চালানো হয়েছিল ত্বক বিশেষজ্ঞ এবং আয়ুর্বেদিক পেশাজীবীদের তত্ত্বাবধানে নথিভুক্ত ক্লিনিকাল রিসার্চ অর্গানাইজেশনগুলোর মাধ্যমে। শুধু তাই নয়, সমীক্ষার ফলাফল থেকে ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে যে এই প্রোডাক্টের ফর্মুলেশন ফলিকিউলার স্তরে ফল দিয়ে প্রাকৃতিকভাবে চুল গজানোর সাইকেলকে সাহায্য করে। এই সমীক্ষা বলছে, ৯৭% মানুষ এ ব্যাপারে একমত যে এই সিরাম চুলের ঘনত্ব বৃদ্ধি করে এবং দৃশ্যতই চুলের পরিমাণ বাড়ায়।

এই প্রসঙ্গে সাইরাম সুব্রহ্মণ্যম, ভিপি, হেয়ারকেয়ার, ইউনিলিভার, বলেন “বরাবরই আমাদের কার্যপদ্ধতি হল মৌলিক আয়ুর্বেদিক ফর্মুলেশনের সঙ্গে কঠোর ক্লিনিকাল ভ্যালিডেশনের সংমিশ্রণ ঘটানো। দুই বছর জুড়ে দুটো স্বাধীন ক্লিনিকাল ট্রায়াল পরিচালনা করে আমাদের লক্ষ্য হল ক্রেতাদের এই প্রোডাক্টের কার্যকারিতা সম্পর্কে এবং এর সত্যিকারের, পরিমাপযোগ্য ফলাফল জোগানোর ক্ষমতা সম্পর্কে সম্পূর্ণ স্বচ্ছতা ও বিশ্বাস জোগানো।”

একইসঙ্গে তিনি এও জানান, চুল গজানোর ব্যাপারে বাজারের স্ক্যাল্প সিরাম বিভাগ, ক্রমশ একাধিক এমন ব্র্যান্ডে ভরে যাচ্ছে যেগুলো একই ধরনের ৩% রিডেনসিল-বেসড ফর্মুলেশন জোগায়। আমরা যে ক্রেতাদের পরিষেবা দিই তাঁদের স্বার্থে তাই আমাদের পক্ষে অত্যাবশ্যক ছিল একটা তুলনামূলক পরীক্ষার মাধ্যমে ইন্দুলেখা হেয়ার গ্রোথ সিরামের সঙ্গে ৩% রিডেনসিলের কার্যকারিতার কঠোর মূল্যায়ন করা। এতে প্রোডাক্টের কর্মদক্ষতার আরও জোরদার, বিশ্বাসযোগ্য এবং বিজ্ঞানভিত্তিক মূল্যায়ন নিশ্চিত করা যায়।

এরপর ২০২৪ আর ২০২৫ সালে জোড়া সমীক্ষা চালানো হয় ২০ থেকে ৪৫ বছর বয়সী অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে। এঁদের মধ্যে অল্প বয়সে এবং মোটামুটি চুল পাতলা হয়ে যাওয়ার অভিজ্ঞতা হচ্ছে এমন পুরুষ ও মহিলা— উভয়েই ছিলেন। ট্রায়ালে চুল গজানো এবং স্ক্যাল্পের স্বাস্থ্যের সঙ্গে যুক্ত একাধিক মাপকাঠির মূল্যায়ন করা হয়েছে। তার মধ্যে আছে নতুন চুল গজানো, চুল পড়া, ফলিকল স্ট্রেংথ এবং স্ক্যাল্প ব্যারিয়ার ফাংশন।

এই সমীক্ষায় অংশগ্রহণকারীরা জানিয়েছেন,

• ১০০% আগের চেয়ে ঘন চুল হয়েছে।

• ৯৭% চুল পড়া চোখের পড়ার মত কমে গেছে।

• ৯৭% তাঁদের চুলের ঘনত্ব বেড়েছে বলেও।

২০২৪ সালের ক্লিনিকাল ট্রায়ালের ফলাফল ইতিমধ্যেই প্রকাশিত হয়েছে, অন্যদিকে ২০২৫ সালের ট্রায়ালের ফলাফল প্রকাশের জন্য ইন্টারন্যাশনাল জার্নালে অফ রিসার্চ ইন ডার্মাটোলজিতে জমা দেওয়া হয়েছে।

একইসঙ্গে সংস্থার পক্ষ থেকে এও দাবি করা হয়, ইন্দুলেখার প্রয়াসগুলো হল সাবেকি আয়ুর্বেদিক জ্ঞানের সঙ্গে আধুনিক ডার্মাটোলজিকাল বিজ্ঞানের মেলবন্ধন ঘটানোর বৃহত্তর প্রয়াসের অঙ্গ। সমস্ত ক্লিনিকাল স্টাডি করা হয়েছে এমন ভারতীয় অংশগ্রহণকারীদের উপরে, যাঁদের সত্যি সত্যি চুল পড়ার সমস্যা আছে, যাতে ভারতীয় স্ক্যাল্পের বৈশিষ্ট্য ও চুলের ঘনত্বের ধরনে এই সমীক্ষার ফলাফলগুলোর প্রাসঙ্গিকতা নিশ্চিত করা যায়। আজ পর্যন্ত যাবতীয় পোর্টফোলিওতে একাধিক ক্লিনিকাল ট্রায়াল চালিয়ে ইন্দুলেখা আয়ুর্বেদিক ফর্মুলেশনগুলোর বৈজ্ঞানিক প্রমাণ আদায় করার পিছনে লগ্নি জারি রেখেছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

eight + fourteen =