ব্লাড সুগার থেকে নিজেকে বাঁচাতে কী খাবেন…

ব্লাড সুগার বা মধুমেহকে বলা হয় নীরব ঘাতক। নিয়মিত ওষুধ খাওয়া, জীবনযাপনের পাশাপাশি বেশ কিছু প্রাকৃতিক উপাদান আছে এই রোগ নিয়ন্ত্রণের। পুষ্টিবিদরা জানাচ্ছেন, এমন কিছু প্রাকৃতিক উপাদানের কথা যা হৃদযন্ত্রের স্বাস্থ্য ভাল রাখে। আর এই পাঁচটি খাবার মধুমেহ নিয়ন্ত্রণে অত্যন্ত কার্যকরী।

যেমন রয়েছে অ্যাভোকাডো। অ্যাভোকাডোকে হলা হয় প্রাকৃতিক মাখন। সুস্বাদু এবং হৃদযন্ত্রের পক্ষে উপকারী এই ফলে মোনোস্যাচিওরেটেড ফ্যাট আছে। এই মোনোস্যাচিওরেটেড ফ্যাট ইনসুলিন সেনসিটিভিটি বাড়ায়। ফাইবার সমৃদ্ধ এই ফল ব্লাড সুগারের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে। স্যালাড, স্মুদি, টোস্ট-সহ নানাভাবে খাওয়া যায় অ্যাভোকাডো।

খাওয়া যেতে পারে ম্যাকারেল, স্যামনের মতো মাছও। কারণ, এই ধরনের মাছে প্রচুর পরিমাণে ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড আছে। রয়েছে অ্যান্টি ইনফ্লেম্যাটরি উপাদান। গ্রিলড স্যামন, টুনা স্যালাড রাখতে পারেন ডায়েটে।

এছাড়াও বাদামজাতীয় খাবারে প্রচুর পরিমাণে উপকারী ফ্যাট আছে। পাশাপাশি আছে প্রোটিন, ফাইবার, ভিটামিন, মিনারেল। আমন্ড, ওয়ালনাট, শিয়া সিড, ফ্ল্যাক্সসিড, কুমড়োর বীজের মতো খাবার হৃদযন্ত্রের স্বাস্থ্য ভাল রাখে। নিয়ন্ত্রণ করে রক্তে শর্করার মাত্রাও।

ভূমধ্যসাগরীয় খাবারের একটা অঙ্গ অলিভ অয়েলও মধুমেহ রোগে বেশ উপকারী। মোনোস্যাচিওরেটেড ফ্যাট, অ্যান্টিঅক্সিড্যান্টে ভরপুর এই তেল হার্টের অসুখ নিয়ন্ত্রণ করে। রক্তে শর্করার মাত্রা কম রাখে। অক্সিডেটিভ স্ট্রেস কমিয়ে কোষের সুরক্ষা যোগায়। এক্সট্রা ভার্জিন অলিভ অয়েল রাখুন ডায়েটে।

এছাড়াও ফ্ল্যাক্সসিড অয়েলে প্রচুর পরিমাণে আলফা লিনোলেনিক অ্যাসিড আছে। এই ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড ইনসুলিন সেনসিটিভিটি উন্নত করে। বজায় রাখে হৃদযন্ত্রের সুস্বাস্থ্য। তাছাড়া ফ্ল্যাক্সসিডের উপাদান লিগন্যান্স কমায় হৃদরোগের ঝুঁকি।

তবে কোনও কিছুই ডায়েটে যোগ করার আগে ডাক্তারের পরামর্শ অবশ্যই নিতে হবে। কারণ সব উপাদান সকলের শরীরে সমানভাবে প্রতিক্রিয়া করে না।

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

one × two =