হাসনে ভোট দিলেই মুড়ি-তরকারি পাওয়া যাবে। কে খাওয়াচ্ছে? প্রশ্ন করতেই উত্তর আসে ‘কাজল শেখ’। তিনি পাপুড়ি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভোট দিয়ে বেরিয়ে যাওয়ার পরই দেখা গেল এই ছবি।
ছাতনা বিধানসভার বিভিন্ন বুথেই নাকি দেওয়া হচ্ছে কুপন! কেউ দিচ্ছে বুথের ২০০ মিটারের মধ্যে, কেউ দিচ্ছেন একটু দূরে। খোঁজ করতে গিয়ে পাওয়া গেল, বিভিন্ন বুথে বিভিন্ন টাকার কুপন দেওয়া হচ্ছে। ভিন্ন রঙের সেই কুপন। কোথাও ১৫ টাকা, কোথাও আবার ২০ টাকার।কুপন নিয়ে নির্দিষ্ট দোকানে গেলে ওই টাকার মধ্যে যা খুশি নিতে পারবেন ভোটাররা। ভোট চলাকালীন এইভাবে কুপন দিয়ে ভোটারদের প্রভাবিত করা হচ্ছে নাকি ভোট দেওয়ার জন্য উৎসাহ দেওয়া হচ্ছে, তা নিয়ে উঠেছে প্রশ্ন।
ধূপগুড়ি বিধানসভা কেন্দ্রে ধরা পড়ল এক অদ্ভুত ছবি, যা বিতর্কিতও বটে। দক্ষিণ কাঁঠুলিয়া গ্রামের ১৫/১০৫ নম্বর বুথের অদূরে ভোটারদের জন্য রয়েছে বিশেষ ‘আপ্যায়ন’-এর ব্যবস্থা। কাঁঠুলিয়া অতিরিক্ত প্রাথমিক বিদ্যালয়ে যেখানে ভোটগ্রহণ চলছে সেখান থেকে মাত্র ১০০ মিটার দূরত্বে ভোটারদের জন্য পান-সুপারি, বিড়ি ও গরম লাল চায়ের ব্যবস্থা করা হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকেই ভোটারদের আকৃষ্ট করতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। নির্বাচনের বিধি অনুযায়ী বুথের নির্দিষ্ট দূরত্বের মধ্যে এই ধরনের আয়োজন নির্বাচনী আচরণবিধির পরিপন্থী হলেও স্থানীয় ভোটারদের মধ্যে অনেকেই ভোট দিতে যাওয়ার আগে বা ফেরার পথে অনায়াসেই এই আড্ডায় সামিল হচ্ছেন। কেউ বা পান-সুপারি মুখে দিয়ে তৃপ্তি নিয়ে বাড়ি ফিরছেন।

