প্রথম দফার ভোটের সকালে উত্তেজনা নন্দীগ্রামে। শুভেন্দু অধিকারীর পোলিং এজেন্টকে গ্রেফতার করা হয় বলে অভিযোগ। তিনি সরাসরি পিংলার ওসি চিন্ময় প্রামাণিকের দিকে আঙুল তোলেন শুভেন্দু। এই ঘটনায় ওসিকে সরানোর দাবি তুলেছেন তিনি। ওসি-র সাসপেনশন দাবি করেছেন। পুলিশ অবজার্ভার এবং রাজ্যের মুখ্য় নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আগরওয়ালকে ফোন করে অভিযোগ জানান বলেও খবর। ।
প্রথম দফায় নন্দীগ্রামে ভোটগ্রহণ চলছে। সেখানেই রয়েছেন শুভেন্দু। এদিন টোটোয় চেপে নিজের কেন্দ্রে ভোট দিতে যান তিনি। এর পরই উত্তেজনা ছড়ায়। শুভেন্দু বলেন, ‘ভীষণ নোংরামি করেছে। ওর সাসপেনশন দাবি করছি। আমি সকাল ৭টার সময় সিইও, পুলিশ অবজার্ভারের সঙ্গে কথা বলেছি যে, ওসি পিংলা চিন্ময় প্রামাণিককে অবিলম্বে সরাতে হবে। সরাতে হবে। বাকি কোথাও সমস্যা নেই’’
শুভেন্দু আরও বলেন, “বিনপুরে করেছিল, আমাদের প্রার্থী ডাক্তার প্রণবকে বের করে নিয়েছিল। নন্দীগ্রামে দু’টো হিন্দু পাড়াতে ভোট দিতে না বলেছিল। আমি ভিডিও কলিং করেছিলাম। সবাই লাইনে দাঁড়িয়ে গিয়েছে। জিরো টলারেন্স। গুন্ডাদের রাস্তায় থাকতে দেব না।” পিংলার ওসি-র বিরুদ্ধে বলেন, “আমাদের পোলিং এজেন্টকে তুলে নিয়ে যাচ্ছে। মণ্ডল প্রেসিডেন্ট বুদ্ধদেব মণ্ডলকে তুলে নিয়ে গিয়েছে। যা করার করা হচ্ছে। খড়গপুর, বিনপুরে করেছে। আমরা ব্যবস্থা নিয়েছি।
এদিকে সূত্রে খবর, বৃহস্পতিবার সকাল ৮ টা নাগাদ বাড়ি থেকে বের হন শুভেন্দু। সেখানেই তিনি আমজনতাকে পরিবর্তনের পক্ষে থাকার আর্জি জানিয়ে বলেন, ‘পরিবর্তন আনুন। এবার বিজেপির হাতে দায়িত্ব দিন। ভোট শান্তিপূর্ণ হোক। যদিও এবার খুব একটা উৎপাত করতে পারেনি। পারবেও না। প্রাথমিকভাবে ভোটের আগের রাতটা খুব গুরুত্বপূর্ণ থাকে। এবার সেঅর্থে কোনও অশান্তি হয়নি। নির্বাচন কমিশন এবং কেন্দ্রীয় আধাসেনা বাহিনীকে ধন্যবাদ দেওয়া যেতেই পারে।” এরপরই সোজা তিনি পৌঁছে যান বুথে। ইতিমধ্যেই ভোটদান সেরে ফেলেন শুভেন্দু।’

