হাই ব্লাড প্রেসার নিয়ন্ত্রণে রাখতে নিয়ন্ত্রণ আনুন ডায়েটে

হাই ব্লাডপ্রেশার বা হাইপার টেনশন বা উচ্চ রক্তচাপ মূলত লাইফস্টাইল সংক্রান্ত অসুখ। ওষুধের পাশাপাশি ডায়েট নিয়ন্ত্রণও অত্যন্ত জরুরি এই অসুখে।

ম্যাগনেসিয়াম, পটাশিয়ামে ভরপুর কিছু খাবারকে বলা হয় হাই ব্লাড প্রেশার নিয়ন্ত্রণের সুপারফুড। যেমন এই তালিকায় রয়েছে

 

টক দইঃ উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা টক দইয়ের৷ ক্যালসিয়াম, পটাশিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম প্রচুর পরিমাণে আছে টকদইয়ে৷ সকাল থেকেরাত নানা ডায়েটে একাধিক উপায়ে খেতে পারেন টক দই।

সামুদ্রিক মাছঃ স্যামন, ম্যাকারেল, সার্ডিনের মতো মাছে প্রচুর পরিমাণে ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড আছে। এই সামুদ্রিক মাছগুলি ইনফ্লেম্যাশন ও খারাপ কোলেস্টেরল কমাতে সাহায্য করে।

লাল বিটরুটঃ টকটকে লাল বিটরুটে প্রচুর নাইট্রেট আছ। এই উপাদান রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করে৷ শিকড় থেকে শুরু করে পাতা-বিটগাছের সবই রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সুপারফুড৷ স্যালাড, জুস, তরকারি-নানা ভাবে খেতে পারেন বিটরুট।

ডার্ক চকোলেটঃ অ্যান্টি অক্সিড্যান্ট, পলিফেনলে ঠাসা ডার্ক চকোলেট ডায়েটে থাকলে রক্তচাপ বশে থাকে৷ তবে দৈনিক ২ টি স্কোয়্যারের বেশি খাবেন না।

সবুজ শাকসবজিঃ নাইট্রেট ভরপুর বাঁধাকপি, পালংশাক, কেল এবং অন্যান্য সবুজ শাকসবজি রক্তচাপ বশে রাখে। ডায়েটে নানাভাবে সবুজ শাকসবজি রাখতে ভুলবেন না।

গোটা দানাশস্যঃ গোটা দানাশস্য উচ্চ রক্তচাপ কমাতে কার্যকর৷ কারণ ওটস এবং অন্যান্য গোটা দানাশস্যে থাকা বিটা গ্লুকান সিস্টোলিক এবং ডায়াস্টোলিক ব্লাড প্রেশার কমাতে সাহায্য করে৷ ব্রেকফাস্টে খান চিনিছাড়া ওটমিল৷ লাঞ্চে হোল গ্রেন ব্রেড এবং রাতে সাইড ডিশে খান সিজনড কিনোয়া৷

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

six − one =