এবারের বঙ্গ ভোটে সবচেয়ে আলোচিত কেন্দ্র ভবানীপুর। যেখানে বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে লড়াই হচ্ছে বিরোধী দলনেতার। দ্বিতীয় দফার ভোটে সকাল থেকেই সরগরম ভবানীপুর। এদিন সকালে বুথ পরিদর্শন করে চক্রবেড়িয়ার বুথে বসেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কিছুক্ষণ পরেই সেখানে হাজির হন বিরোধী দলনেতা তথা ভবানীপুরের বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারী। মমতা যেখানে বসেছিলেন সেখান থেকে ৫০ মিটার দূরে পরিদর্শন করেন তিনি।
পাশাপাশি শুভেন্দু এও দাবি করেন, ‘একটা ভোটও দিচ্ছেন না কেউ ওঁকে।’ সেইসঙ্গে তাঁর বক্তব্য, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় হিন্দু ভোটারদের হুমকি দিচ্ছেন। মমতা গুন্ডাদের নিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে। শুভেন্দু বলেন, ভবানীপুরে ৯০ শতাংশ লোক ভোট দেবে বলে আশা করি। সব বুথে বিজেপির এজেন্ট রয়েছে। পাশাপাশি তাঁর দাবি সব দেখে হতাশ তৃণমূলনেত্রী।
এদিন চক্রবেড়িয়ায় শুভেন্দু অধিকারী বলেন, ‘২৬৭ টি বুথে এজেন্ট রয়েছে। কমিশনের নিয়ম মেনে ৯৭ টি ক্যাম্প অফিস করা হয়েছে। নির্বাচন কমিশন বাংলার ভোটের পরিবেশ বদলে দিয়েছে। সকাল থেকে একাধিক বুথে ঘুরলাম।ভোটারদের মধ্যে প্রচণ্ড উৎসাহ দেখছি। সকলে স্বতঃস্ফুর্তভাবে ভোট দিচ্ছেন।’ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সকালে বেরিয়েই অভিযোগ করেছিলেন রাতভর তাণ্ডব করেছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। যদিও তাতে গুরুত্ব দিতে নারাজ শুভেন্দু। তাঁর কথায়, ‘এটা হতাশার বহিঃপ্রকাশ।’ মমতা বিপুল ভোটে হারতে চলেছেন বলে দাবি করলেন তিনি। এদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মতো ভবানীপুরের বুথে বুথে পরিদর্শন করেন শুভেন্দু অধিকারীও। খিদিরপুর হনুমান মন্দির পুজো দিয়ে দিন শুরু করেন বিদায়ী বিরোধী দলনেতা। এরপর এলাকার বুথ পরিদর্শন করেন তিনি।
খিদিরপুর এলাকায় ভোট পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে সন্তুষ্ট ছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। তিনি জানান, ওই এলাকায় ভোটের সময় ভোটদাতারাই ঢুকতে পারতেন না। সন্ত্রাসের পরিবেশ থাকত। নির্বাচন কমিশন সেই পরিস্থিতি বদলে দিয়েছে। এ জন্য তাদের ধন্যবাদ দেওয়া প্রয়োজন। পাশাপাশি সকাল সকাল ভবানীপুরের প্রতিদ্বন্দ্বী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বুথ পরিদর্শনে বার হওয়া নিয়ে কটাক্ষ করে বলেন, ‘ঠেলায় না পড়লে বিড়াল গাছে ওঠে না।’

