কমফর্ট টেকনোলজি কোম্পানি™ স্কেচার্স, মোহনবাগান সুপার জায়ান্টের (MBSG) সঙ্গে মিলে “লিভ লাইক এ মেরিনার” নামে ভক্তদের সঙ্গে আদানপ্রদানের এক অনন্য উদ্যোগ নিয়েছে। ভারতের ফুটবলের সমৃদ্ধ উত্তরাধিকার এবং পশ্চিমবঙ্গের গভীরে প্রোথিত ফুটবলভক্ত সংস্কৃতিকে উদযাপন করার পাশাপাশি ভক্তদের মগ্ন করে রাখার লক্ষ্যে এই উদ্যোগের অ্যাক্টিভেশন ডিজাইন করা হয়েছে। আর এটি সারাজীবন মনে রাখার মত অভিজ্ঞতা জোগাবে বলেও আশা করছে কমফর্ট টেকনোলজি কোম্পানি™ স্কেচার্স।
এই উদ্যোগের অংশ হিসাবে স্কেচার্স কলকাতার এক বিখ্যাত মলে মাঠেই ফ্যান অ্যাক্টিভেশনের ব্যবস্থা করেছে। ফলে রাজ্যের বিভিন্ন অংশের ফুটবলমোদীরা অংশগ্রহণ করছেন। এই আদানপ্রদানের মধ্যে আছে একগুচ্ছ ইন্টারঅ্যাক্টিভ ও নৈপুণ্যভিত্তিক অ্যাক্টিভিটি, যা ডিজাইন করা হয়েছে অংশগ্রহণকারীদের ক্ষমতা, আবেগ এবং খেলাটার সঙ্গে যোগকে উদযাপন করতে। আর এই অ্যাক্টিভেশনের মাধ্যমে কিছু বাছাই করা ভক্তকে “মেরিনার ফর এ ডে” হওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়েছিল। এটা এই ধরনের প্রথম উদ্যোগ, যা পেশাদার ফুটবলের ভিতরের চেহারাটা ভক্তদের দেখার সুযোগ করে দেয়।
নির্বাচিত ভক্তরা মোহনবাগান সুপার জায়ান্ট দলের খেলোয়াড়দের সঙ্গে একটা গোটা দিন কাটালেন, দলের সঙ্গে মাঠের বাইরের মুহূর্তগুলোর সাক্ষী থাকলেন এবং একজন পেশাদার ফুটবলারের জীবন কেমন হয় তা খুব কাছ থেকে দেখলেন। এই উদ্যোগে ভক্তরা সরাসরি খেলোয়াড়দের সঙ্গে মেলামেশা করার, নিজেদের ক্লাবের সংস্কৃতিতে নিমগ্ন করার এবং বিশেষ চ্যাট শো-তে অংশগ্রহণ করার সুযোগও পেয়েছেন। সেখানে সমর্থক হিসাবে নিজেদের যাত্রার কথা বলেছেন। বিজয়ীরা স্কেচার্স মার্চেন্ডাইজের সঙ্গে অফিশিয়াল মোহনবাগান কিটও পেয়েছেন।
এই উদ্যোগ সম্পর্কে রাহুল বীরা, সিইও, স্কেচার্স সাউথ এশিয়া প্রাইভেট লিমিটেড, বললেন “ভারতে ফুটবলকে শক্তি জোগায় আবেগপ্রবণ ফ্যানরা আর গভীরে প্রোথিত সাংস্কৃতিক শিকড়, বিশেষ করে পশ্চিমবঙ্গে, যেখানে খেলা হল সাংস্কৃতিক নকশার অংশ। মোহনবাগান সুপার জায়ান্টের সঙ্গে আমাদের সম্পর্কের মাধ্যমে ‘লিভ লাইক এ মেরিনার’ ভক্তদের খেলাটার আরও কাছাকাছি নিয়ে এসেছে এক অনন্য খেলোয়াড়সুলভ অভিজ্ঞতায়। পাশাপাশি ভারতে ফুটবলের সহায়তা করার প্রতি আমাদের দায়বদ্ধতাও আরও একবার প্রমাণ করল।”
সঙ্গে এও জানান, ‘লিভ লাইক এ মেরিনার’ দিয়ে স্কেচার্স ভারতের ফুটবলের সমৃদ্ধ ভক্তকুলকে উদযাপন করার পাশাপাশি ভক্তদের সঙ্গে খেলাটার আরও গভীর এবং আরও মৌলিক সংযোগ গড়ে তুলল। এই উদ্যোগ, তৃণমূল স্তরে ফুটবল সংস্কৃতিকে লালন করা এবং সদর্থক কমিউনিটি এনগেজমেন্টের প্রতি কোম্পানির যে চলতি ফোকাস, তারও প্রতিফলন।

